• হাতে নগদ টাকা দেওয়া হয়, টাকা কোথায় খরচ হলো কেউ দেখে না।
• টাকার উপর নির্দিষ্ট হারে সুদ ধরা হয়।
• অনেক জায়গায় দেরি হলে সুদ বা চার্জ আরও বাড়ে।
আমাদের পদ্ধতিতে:
• আপনার দরকারি পণ্য সমিতি নিজে কিনে মালিক হয়, তারপর আপনার কাছে বিক্রি করে। অথবা হাসপাতাল, স্কুল বা এজেন্সিকে সরাসরি সেবার টাকা দেয়।
• পণ্যের ক্রয়মূল্য আর সমিতির মুনাফা চুক্তির দিনই আপনাকে জানিয়ে স্থির করা হয়। পরে সময় বাড়লেও মুনাফা বাড়ে না।
• দেরির জরিমানা থাকলেও তার এক টাকাও সমিতির আয় নয়, পুরোটা দান-সদকায় যায়।
• প্রতিটি চুক্তি শরীয়াহ বোর্ডের তত্ত্বাবধানে, প্রতিটি টাকার রসিদ।
প্রশ্ন থাকলে অফিসে এসে বা হোয়াটসঅ্যাপে জিজ্ঞেস করুন। আমাদের শরীয়াহ বোর্ডের সদস্যদের পরিচয় এখানে দেখুন।